১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়

 

১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়। এই পোস্টে  ১৫০০ টাকার নিচে সেরা ব্লুটুথ ইয়ারবাউস তালিকা, ব্লুটুথ কলিং ইয়ারবাউস কি এবং কিভাবে কাজ করে, কলিং কোয়ালিটি ভালো হওয়ার কারণ কি, কম দামে ভালো ইয়ারবাউস চিনবেন কিভাবে ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এই গাইডে।

এই আর্টিকেলে ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়। সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। বিষয়টি সহজ ও পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যেন আপনারা এর সঠিক ব্যবহার বুঝতে পারেন। তাই বিস্তারিত জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

পেজ সূচিপত্রঃ ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়

১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়

অনেকেই এখন একটা জিনিস নিয়ে কনফিউশনে থাকে, কম বাজেটে কি আসলেই এমন কোন ব্লুটুথ ইয়ারবাউস পাওয়া যায়। যেটাতে কলিংয়ের সময় সাউন্ড ক্লিয়ার থাকে। কারণ বাস্তবে আমরা অনেক সময় এমন ইয়ারবাউস ব্যবহার করেছি, যেখানে গান শুনতে মোটামুটি ভালো লাগে। কিন্তু কল করার সময় সমস্যা শুরু হয়। অপর পাশের মানুষ ঠিকমতো শুনতে পারেনা, নিজের কন্ঠ ভাঙ্গা ভাঙ্গা শোনা যায়, আবার আশেপাশের শব্দ এত বেশি থাকে যে কথা বলাই বিরক্তকর মনে হয়। তাই এখন যারা নতুন করে ইয়ার ব্রাউজ কিনতে চান তাদের প্রথম প্রশ্নই থাকে, এই বাজেটের মধ্যে কোনটা নিলে কলিংটা ভালো হবে। কিছু ভালো অপশন অবশ্যই আছে, কিন্তু এখানে একটু বুঝে শুনে নির্বাচন করতে হয়। শুধু ব্র্যান্ড দেখে বা কম দাম দেখে কিনলে অনেক সময় ভুল হয়ে যায় বরং আপনাকে দেখতে হবে মাইক্রোফোন কেমন, ENC আছে কিনা, আর রিয়েল ইউজারদের রিভিউ কি বলছে। আমি নিজে কয়েকটা বাজেট ইয়ারবাউস ব্যবহার করেছি।


আর একটা জিনিস খুব পরিষ্কার ভাবে বুঝেছি, এই দামের মধ্যে পারফেক্ট কিছু পাওয়া যায় না। কিন্তু ভালো পাওয়া যায়। বিশেষ করে, Oraimo, Baseus, বা Awei টাইপ ব্র্যান্ডগুলো এই বাজেটে মোটামুটি ভালো কলিং কুয়ালিটি দেয়। তবে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, আপনি যদি খুব বেশি শব্দযুক্ত জায়গায় থাকেন। যেমন রাস্তার পাশে বা ভিড়ের মধ্যে তাহলে কোন বাজেট এয়ার ব্রাউজিংসহ একদম Crystal Clear পারফরম্যান্স দিতে পারবে না। কিন্তু আপনি যদি বাসায়, অফিসে বা কম শব্দযুক্ত জায়গায় ব্যবহার করেন। তাহলে এই বাজেটের ইয়ারবাউস দিয়েই পরিষ্কারভাবে কথা বলা যায়। তাই কেনার আগে নিজের ব্যবহারটা বুঝে নেওয়া খুব জরুরি। অনেকেই শুধু ক্লিয়ার সাউন্ড শুনে কিনে ফেলে। কিন্তু আসল ব্যাপার হলো আপনার ব্যবহারের সাথে সেটার মিল আছে কি না? এই ছোট ছোট বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে ১৫০০ টাকার মধ্যেও এমন  ইয়ারবাউস পাওয়া সম্ভব। যেটা দিয়ে আপনি স্বাচ্ছন্দে ব্যবহার করতে পারবেন এবং প্রতিদিনের ব্যবহারে কোন ঝামেলা মনে হবে না।

ব্লুটুথ কলিং ইয়ারবাউস কি এবং কিভাবে কাজ করে

অনেকের ব্লুটুথ ইয়ারবাউস ব্যবহার করেন। কিন্তু আসলে এটা কিভাবে কাজ করে বা ব্লুটুথ কলিং বলতে ঠিক কী বোঝায়? এমন একটি ছোট ওয়্যারলেস ডিভাইস যেটা আপনার মোবাইল ফোনের সাথে তার ছাড়া (Wireless) সংযোগ তৈরি করে এবং আপনাকে ফোন হাতে না নিয়েই কল করা বা রিসিভ করার সুযোগ দেয়। আগে আমরা যে হেডফোন ব্যবহার করতাম সেগুলোতে তার লাগাতে হতো। কিন্তু এখন এই ইয়ারবাউসগুলো ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি ফোনের সাথে যুক্ত হয়। এর ভেতরে ছোট ছোট স্পিকার ড্রাইভার এবং মাইক্রোফোন থাকে। যেগুলো একসাথে কাজ করে। আপনি অন্যজনের কথা শুনতে পারেন। আর আপনার কথাও অপর পাশে পৌঁছে যায়। আমি যখন প্রথমবার ব্লুটুথ ব্যবহার করি, তখন একটু অবাকই হয়ে গেছিলাম। এত ছোট একটি ডিভাইসে খুব সহজে কল করা যায়। এখন যদি একটু ভিতরের কাজের দিকটা বুঝি, তাহলে দেখবেন বিষয়টা আরো ইন্টারেস্টিং। যখন আপনি আপনার মোবাইলের Bluetooth অন করে ইয়ারবাউস এর সাথে Pair করেন, তখন দুইটা ডিভাইস এর সাথে একটা ওয়্যারলেস কানেকশন তৈরি হয়। 

এরপর থেকে আপনি যখন কল করেন বা কেউ আপনাকে কল দেয়, সেই অডিও সিগন্যাল ব্লুটুথ এর মাধ্যমে আপনার ইয়ারবাউসে চলে যাচ্ছে। একইভাবে আপনার কন্ঠ ও এয়ারবাউস এর মাইক্রোফোনে দিয়ে ক্যাপচার হয়ে ফোনে পাঠানো হয়। ভালো মানের ইয়ারবাউসে সাধারণত Dual mic বা ENC (Environment Noise Cancellation) থাকে। যেটা আশেপাশের শব্দ কমিয়ে দেয়। ফলে আপনার কন্ঠটা পরিষ্কারভাবে অপর পাশে পৌঁছায়। তবে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সব ইয়ারবাউসের পারফরম্যান্স এক রকম না। কিছু ইয়ারবাউস শুধু মিউজিকের জন্য ভালো। কিন্তু কলিং এর সমস্যা হতে পারে। বিশেষ ভাবে ইয়ারবাউস কলিং এর জন্য ডিজাইন করা হয়। যেখানে মাইক্রোফোন আর Noise Reduction বেশি গুরুত্ব পাই। তাই আপনি যদি ব্লুটুথ কলিং এর জন্য ইয়ারবাউস কিনতে চান, তাহলে শুধু সাউন্ড না দেখে এর কলিং ফিচারগুলো কেমন সেটা বোঝা খুব জরুরী। এই পুরো প্রক্রিয়াটি একবার বুঝে গেলে, আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কোনটা ভালো আর কোনটা শুধু নামেই ভালো।

কলিং কোয়ালিটি ভালো হওয়ার কারণ কি

অনেকেই মনে করেন একটা ইয়ারবাউস কিনলেই কলিং কোয়ালিটি ভালো হবে। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টা এত সহজ না। আমি নিজেও প্রথমদিকে এই ভুলটাই করেছিলাম। শুধু দেখে সুন্দর, দাম কম, এসব দেখে কিনে ফেলতাম। কিন্তু পরে বুঝলাম, কল করার সময় সমস্যা হচ্ছে। আসলে কলিং কোয়ালিটি ভালো হওয়ার পেছনে কয়েকটা নির্দিষ্ট বিষয় কাজ করে। যেগুলো না বুঝলে সঠিক প্রোডাক্ট বেছে নেওয়া কঠিন হয়ে যায়। এর ফলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মাইক্রোফোনের মান। কারণ আপনি যখন কথা বলছেন, তখন আপনার কন্ঠটাই প্রথমে মাইক্রোফোন ক্যাপচার করে। যদি মাইক ভালো না হয়, তাহলে আপনার কণ্ঠ ভাঙ্গা, দূর থেকে আসা বা অস্পষ্ট শোনাবে। অনেক সময় দেখা যায়, একই দামের দুইটা ইয়ারবাউসের মধ্যে একটা ভালো শুধু মাইক্রোফোনের পার্থক্যের জন্য। এই পার্থক্য তৈরি হয় এছাড়া আর একটা বড় বিষয় হলো Noise Reduction বা ENC (Environment Noise Cancellation)। আপনি যদি শান্ত পরিবেশে থাকেন, তাহলে যে কোন সাধারণ ইয়ারবাউস দিয়ে মোটামুটি ভালোভাবে কথা বলা যায়। কিন্তু বাস্তবে আমরা অনেক সময় বাইরে থাকি যেমন রাস্তা, বাজার, বাসস্ট্যান্ড এসব জায়গায় কল করতে হয়। তখন আশেপাশের শব্দ অনেক বেশি থাকে। আর সেই শব্দ যদি মাইক্রোফোনের ঠিকমতো ফিল্টার করতে না পারে। তাহলে অপর পাশের মানুষ আপনার কথা ঠিকমতো শুনতে পারবে না। 

এখানে ENC  গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়। এটা মূলত আপনার কন্ঠকে আলাদা করে এবং আশেপাশের অপ্রয়োজনীয় শব্দ কমিয়ে দেয়। যদিও ১৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া ENC খুব শক্তিশালী না। তবুও সাধারণ ব্যবহারের জন্য এটা অনেক সাহায্য করে। তাই যারা নিয়মিত কলের জন্য ইয়ারবাউস কিনতে চান, তাদের জন্য ENC থাকা একটা বড় প্লাস পয়েন্ট। আরেকটা বিষয় অনেকের গুরুত্ব দেয় না সেটা হলো Bluetooth version এবং Connection Stability যদি আপনার ইয়ারবাউসে পুরনো Bluetooth Version থাকে, তাহলে কানেকশন অনেক সময় ড্রপ করতে পারে বা অডিওতে delay হতে পারে। এর ফলে অনেক সময় কথা কেটে কেটে শোনা যায় বা Sync ঠিক থাকে না। আমি নিজে এমন অবস্থায় পড়েছি, যেখানে কথা বলার সময় একটু delay ঠিকমত ছিল না। তাই নতুন Bluetooth Version (যেমন 5.0 বা তার উপরে) থাকলে সেটা অনেক বেশি Stable Connection দেয়। এছাড়া ইয়ারবাউসের ভিতরে Software Optimization ও একটা বড় বিষয়। কিছু ব্র্যান্ড তাদের ডিভাইসে ভালোভাবে Optimize করে ফলে একই হার্ডওয়ার থাকা সত্ত্বেও পারফরম্যান্স ভালো হয়। সব মিলিয়ে কলিং কোয়ালিটি ভালো হওয়ার জন্য শুধু একটা জিনিস না মাইক্রোফোন Noise Cancellation, Bluetooth Stability সবকিছু মিলেই আসল পারফরম্যান্স তৈরি করে। তাই কিনতে গেলে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখলে আপনি সহজে ভালো একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

ENC ও Noise Cancellation কি

অনেক সময় আমরা ইয়ারবাউস বা হেডফোন কেনার সময় ENC বা Noise Cancellation এই শব্দগুলো দেখি। কিন্তু আসলে এগুলোর মানে কি তা ঠিকভাবে বুঝি না। আমি নিজেও প্রথমে ভাবতাম দুটো একই জিনিস। কিন্তু ব্যবহার করতে গিয়ে বুঝলাম তাদের আসলে কাজ আলাদা। আর বিশেষ করে কলিংয়ের ক্ষেত্রে ENC অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ENC এর পূর্ণরূপ হলো Environmental Noise Cancellation।  সহজ ভাবে বললে আপনি যখন ফোনে কথা বলেন, তখন আপনার আশেপাশে যেসব অপ্রয়োজনীয় শব্দ থাকে। যেমন গাড়ির হর্ণ, মানুষের কথা এসব কমিয়ে আপনার কন্ঠকে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরার কাজ করে। ENC অর্থাৎ আপনি যা বলছেন সেটাকে প্রাধান্য দিতে অন্য শব্দগুলোকে যতটা অসম্ভব কমিয়ে দেয়। যাতে অপর পাশের মানুষ আপনার কথা স্পষ্ট ভাবে শুনতে পারে। আমি যখন প্রথম বার ENC যুক্ত ইয়ারবাউস ব্যবহার করি, তখন পার্থক্যটা ভালোভাবে বুঝতে পারি। আগে যেখানে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বললে, অপর পাশের মানুষ বলতো ভালো করে কথা বলো শুনতে পাচ্ছি না। সেখানে ENC  থাকার কারণে সেই সমস্যা অনেকটা কমে গেছে। তবে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, ১৫০০ টাকার মধ্যে যে ENC পাওয়া যায়, সেটা একদম প্রিমিয়াম লেভেলের না। এটা শুধু সাধারণ লেভেলের নয়েজ কমাতে সাহায্য করে।  

তাই খুব বেশি ভিড় বা শব্দযুক্ত জায়গায় একদম নিখুঁত পারফরম্যান্স আশা করা ঠিক না। কিন্তু দৈনিকদিন ব্যবহারের জন্য এটা যথেষ্ট ভালো কাজ করে। অন্যদিকে Noise Cancellation বলতে সাধারণত দুই ধরনের প্রযুক্তি বোঝায়, Passive Noise Cancellation এবং Active Noise Cancellation(ANC)। Passive Noise Cancellation হলো ইয়ারবাউসের ডিজাইন এর মাধ্যমে বাইরের শব্দ কিছুটা ব্লক করা। যেমন কানের ভেতরে ভালোভাবে ফিট হলে বাইরে শব্দ কম আসে। আর Active Noise Cancellation (ANC) একটু উন্নত প্রযুক্তি। যেখানে ডিভাইস নিজে থেকে বাইরে শব্দ ডিটেক্ট করে এবং সেটাকে ক্যান্সেল করার চেষ্টা করে। তবে Active Noise Cancellation (ANC) সাধারণত বেশি দামি ইয়ারবাউসে পাওয়া যায়। ১৫০০ টাকার মধ্যে এটা খুব কমই থাকে। সব মিলিয়ে সহজভাবে বললে ENC মূলত কলিংয়ের সময় আপনার কন্ঠ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। আর Noise Cancellation (বিশেষ করে ANC) মূলত আপনি কি শুনছেন সেটা পরিষ্কার রাখতে কাজ করে। তাই আপনি যদি কলিংয়েরর জন্য ইয়ারবাউস কিনতে চান, তাহলে ENC থাকাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর যদি মিউজিক শোনার জন্য বাইরে শব্দ কমাতে চান। তাহলে Noise Cancellation দরকার হয়। এই পার্থক্যটা বুঝতে পারলে আপনি সহজে ঠিক করতে পারবেন, আপনার জন্য কোন ফিচারটা বেশি দরকার।

১৫০০ টাকার নিচে সেরা ব্লুটুথ ইয়ারবাউস তালিকা

১৫০০ টাকার নিচে ভালো ব্লুটুথ ইয়ারবাউস খুঁজতে গেলে অনেকেই একটু কনফিউশনে পড়ে যায়। কারণ এই বাজেটে অনেক অপশন থাকলেও সবগুলো একরকম ভালো না। আমি নিজেও যখন প্রথম কিনতে গিয়েছিলাম তখন দেখলাম, একই দামে অনেক মডেল কিন্তু পারফরম্যান্স একেকটার একেক রকম। পরে একটু রিসার্চ করে বুঝলাম, কিছু নির্দিষ্ট মডেল আছে যেগুলো এই বাজেটের মধ্যে ভালো কলিং কোয়ালিটি আর মোটামুটি সাউন্ড দেয়। যেমন Awei T21, Baseus WM01, IMILAB T13 এই ধরনের ইয়ারবাউসগুলো এই বাজেটের মধ্যে জনপ্রিয়। এগুলোর মধ্যে Bluetooth 5.0 থাকে, ব্যাটারি ৪-৫ ঘন্টা পর্যন্ত চলে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কল করার সময় কন্ঠ মোটামুটি পরিষ্কার থাকে। এছাড়া বাংলাদেশে এখন ১২০০-১৫০০ টাকার মধ্যে Oraimo এর কিছু মডেলও পাওয়া যায়। যেগুলো দৈনিক ব্যবহারের জন্য বেশ ভালো। আমি একটা জিনিস খেয়াল করেছি, এই বাজেটের ইয়ারবাউসগুলাে পারফেক্ট না হলেও ঠিকমতো ব্যবহার করলে বেশ ভালো এক্সপেরিয়েন্স দেয়। বিশেষ করে বাসা, অফিস বা কম নয়েজ এর জায়গায়। কল করলে আপনি পরিষ্কার ভাবে কথা বলতে পারবেন। তবে যদি খুব বেশি ভিড় বা রাস্তায় ব্যবহার করেন, তখন একটু সমস্যা হতে পারে। বাজেটের লিমিটেশন তাই তালিকা থেকে বেছে নেওয়ার সময় একটু ব্র্যান্ড না দেখে, আপনার ব্যবহার কেমন হবে?  সেটাও ভাবতে হবে। 

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সব ইয়ারবাউস দেখতে একই রকম হলেও ভেতরের পারফরম্যান্স একদম আলাদা হতে পারে। কিছু মডেলের মাইক্রোফোন ভালো থাকে, কিছুতে ব্যাটারি ভালো, আবার কিছুতে Stable Connection থাকে। যেমন  IMILAB T13 এই ভালো ব্যাটারি আর Stable Connection  পাওয়া যায়। আর Baseus WM01  এ Lightweight design আর balanced sound পাওয়া যায়। Reddit এর অনেক ইউজার ও বলেছে এই বাজেটে Baseus বা Oraimo টাইপ ব্র্যান্ডগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায় এবং Call quality average এর থেকে ভালো থাকে। তাই শুধু random কিছু না নিয়ে একটু যাচাই করে কিনলে এই বাজেটে ভালো একটা ইয়ারবাউস পাওয়া সম্ভব। সবকিছু মিলিয়ে একটা কথা বললেই হয় ১৫০০ টাকার নিচে সেরা বলতে আসলে একটাই নির্দিষ্ট মডেল না বরং কয়েকটা ভালো অপশন থাকে। যেগুলোর মধ্যে থেকে আপনার প্রয়োজনীয় অনুযায়ী বেছে নিতে হয়। যদি আপনার Priority হয় clear calling তাহলে এমন মডেল নিন যেখানে mic+ENC আছে। আর যদি battery বা sound বেশি দরকার হয় তাহলে সে অনুযায়ী বেছে নেই। আমি সব সময় একটা জিনিস ফলো করি কম দামে best value খোঁজা। কারন এই বাজেটে perfection খুঁজলে হতাশ হতে পারেন। কিন্তু স্মার্ট চয়েস করলে অবশ্যই এমন একটা ইয়ারবাউস পাবেন যেটা দিয়ে স্বাচ্ছন্দে কথা বলা, গান শোনা, সবই করা যাবে।

Oraimo, Baseus, QCY কোনটা ভালো

অনেকেই এই তিনটা ব্র্যান্ড নিয়ে কনফিউশনে পড়ে। Oraimo, Baseus নাকি QCY কোনটা আসলে ভালো? সত্যি বলতে আমি নিজেও শুরুতে এই প্রশ্নটাই করতাম। কারণ বাইরে থেকে দেখলে তিনটায় প্রায় একই রকম মনে হয়। দামও কাছাকাছি কিন্তু ব্যবহার করতে গেলে পার্থক্যটা ধীরে ধীরে বোঝা যায়। Oraimo সাধারণত বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয়। একটি ব্র্যান্ড বিশেষ করে যারা বাজেটের মধ্যে ভালো কিছু খোঁজে তাদের জন্য এটা বেশ পরিচিত নাম। এই ব্র্যান্ডের একটি বড় সুবিধা হলো ব্যাটারি ব্যাকআপ ভালো থাকে। আর ডিভাইসগুলো সাধারণত টেকসই হয়। অনেক সময় দেখা যায় Oraimo এর বাজেট মডেলেও ENC বা Basic noise reduction, যেটা কলিংয়ের সময় কিছুটা সাহায্য করে। তবে একটা বিষয় আমি খেয়াল করেছি, সব মডেলের কলিং পারফরম্যান্স একরকম না। তাই  মডেল দেখে নিতে হয়। অন্যদিকে Baseus একটু অন্য টাইপের ব্র্যান্ড। এটা সাধারণত design, lightweight feel আর stable connection এর জন্য পরিচিত। আমি অনেকের কাছ থেকে শুনেছি Baseus WM01 টাইপ মডেলগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। এবং daily use এর জন্য কমফোর্টেবল। এমনকি reddit এ ও অনেক  ইউজার বলেছে তারা Baseus earbuds ১-২ বছর ধরে ব্যবহার করছে ভালোভাবে। 


তবে Baseus এর একটা ব্যাপার হলো এগুলোর Sound Balanced হয় কিন্তু সব সময় call quality best হয় না। বিশেষ করে, বেশি noise environment এ। এবার আসি QCY এর কথায়, যদি অনেস্ট কথা বলি তাহলে এই তিনটার মধ্যে QCY অনেক সময় Value for money হিসেবে এগিয়ে থাকে। কারণ এই ব্র্যান্ড টা সাধারণত একটু কম দামে বেশি feature দেয়। যেমন ভালো driver, better sound tuning এমনকি কিছু মডেলের multi-mic ENC পর্যন্ত পাওয়া যায়। Reddit এর অনেক ইউজার ও QCY কে এই বাজেটের মধ্যে ভালো চয়েজ হিসেবে সাজেস্ট করে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য। তবে QCY এর সমস্যা হলো সব জায়গায় সহজে পাওয়া যায় না। আর কিছু মডেলে build quality average হতে পারে। আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলবো কোনটা ভালো এটা একদম ফিক্সড না। এটা পুরোপুরি আপনার usage এর উপর নির্ভর করবে। আপনি যদি বেশি কল করেন তাহলে Oraimo safe choice। যদি style, lightweight চান তাহলে Baseus  ভালো লাগবে। আর যদি কম টাকার maximum feature চান, তাহলে  QCY বেটার অপশন। তাই blindly কোন একটা না নিয়ে নিজের প্রয়োজন বুঝে বেছে নিলে সবচেয়ে ভালো ডিসিশন নিতে পারবেন।

কম দামে ভালো ইয়ারবাউস চিনবেন কিভাবে

কম দামে ইয়ারবাউস কিনতে গেলে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কোনটা আসলেই ভালো আর কোনটা শুধু দেখতেই ভালো, এটা বোঝা। আমি নিজেও প্রথম দিকে এই ভুলটা অনেক বার করেছি। বাইরে থেকে দেখতে সুন্দর, দাম কম, এই দুইটা দেখে কিনে ফেলেছি। কিন্তু ব্যবহার করার পর বুঝেছি, আসল পারফরম্যান্স একদমই সন্তোষজনক না। তাই ধীরে ধীরে একটা জিনিস শিখেছি, কম দামে ভালো ইয়ারবাউস চিনতে হলে, কিছু নির্দিষ্ট জিনিস আগে থেকেই বুঝে নিতে হয়। প্রথমত মাইক্রোফোন কোয়ালিটি কেমন সেটা খেয়াল করা খুব জরুরী। কারণ আপনি যদি কলিংয়ের জন্য কিনতে চান, তাহলে মাইক ভালো না হলে কোন লাভ নেই। অনেক সময় প্রোডাক্টের description এর এ HD-mic বা ENC supported লেখা থাকে। কিন্তু বাস্তবে সেটা কতটা কাজ করে, সেটা রিভিউ দেখে বোঝা যায় না। তাই শুধু কোম্পানির কথায় বিশ্বাস না করে যারা ব্যবহার করেছে তাদের অভিজ্ঞতা দেখার সবচেয়ে ভালো উপায়। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Bluetooth Version এবং Connection Stability অনেকেই এটা একদম খেয়াল করে না। কিন্তু এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি Bluetooth Version পুরনো হয়, তাহলে কানেকশন বারবার কেটে যেতে পারে বা কলের সময় শব্দ ঠিকমতো শোনা যায় না। আমি নিজে এমন ইয়ারবাউস ব্যবহার করেছি যেখানে একটু দূরে গেলেই কানেকশন ড্রপ করতো। এটা খুবই বিরক্ত তাই সবসময় চেষ্টা করবেন Bluetooth 5.0 বা তার ওপরের ভার্সন নিতে। 

এছাড়া ব্যাটারি ব্যাকআপও গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনি যদি বারবার চার্জ দিতে বাধ্য হন, তাহলে ব্যবহার করতে ভালো লাগবে না। কম দামের মধ্যে হলেও এমন ইয়ারবাউস বেছে নেওয়া উচিত, যেটা অন্তত ২-৩ ঘন্টা ব্যাকআপ দেয়। আরেকটা জিনিস যেটা আমি সব সময় ফলো করি সেটা হলো build quality আর comfort। অনেক সময় দেখা যায় ইয়ারবাউসটা দেখতে ভালো কিন্তু কানে ঠিক মতো ফিট হয় না বা কিছুক্ষণ পরে অস্বস্তি লাগে। এতে শুধু ব্যবহার করতে সমস্যা হয় না, সাউন্ড কোয়ালিটি ও ঠিকমতো পাওয়া যায় না। তাই কেনার আগে সম্ভব হলে design আর fitting কেমন সেটা দেখে নেওয়া ভালো। এছাড়া case quality ও কেমন খেয়াল করা উচিত। কারণ চার্জিং কেসটাই ইয়ারবাউসকে সুরক্ষা দেয়। আরেকটা ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো brand reliablity। সব সময় চেষ্টা করবেন পরিচিত ব্র্যান্ড থেকে নিতে। কারণ এতে কোয়ালিটি নিয়ে ঝুঁকি কম থাকে। সবশেষে একটা বাস্তব কথা বলি কম দামের পারফেক্ট কিছু খুঁজতে গেলে হতাশ হবেন। কিন্তু যদি আপনার স্মার্ট ভাবে নির্বাচন করেন তাহলে এই বাজেটেও ভালো একটা ইয়ারবাউস পাওয়া সম্ভব। আমি সব সময় বলি কেনার আগে একটু সময় নিয়ে রিসার্চ করুন, রিভিউ দেখুন, আর নিজের প্রয়োজন পরিস্কার ভাবে বুঝে নিন। তাহলে খুব সহজেই বুঝতে পারবেন, কোনটা আপনার জন্য ভালো হবে। কারণ শেষ পর্যন্ত ভালো ইয়ারবাউস মানে শুধু নাম না বরং যেটা আপনার দৈনিক দিন ব্যবহারকে সহজ করে দেয় সেটাই আসল ভালো চয়েস।

ইয়ারবাউস নাকি নেকব্যান্ড কোনটা ভালো

অনেকেই নতুন করে ওয়ারলেস অডিও ডিভাইস কিনতে গেলে একটা জায়গায় এসে আটকে যায়। ইয়ারবাউস নেব নাকি নেকব্যান্ড। আমি নিজেও একসময় এই কনফিউশনে ছিলাম। বাইরে থেকে দেখলে ইয়ারবাউস অনেক বেশি মডার্ন আর স্টাইল মনে হয়, ছোট, কম্প্যাক্ট, সহজে পকেটে রাখা যায়। সবমিলিয়ে দেখতে দারুন লাগে। বিশেষ করে যারা হালকা কিছু ব্যবহার করতে চায়, তাদের জন্য ইয়ারবাউস খুব Convenient। আপনি কানে লাগিয়ে রাখলেন, কাজ করলেন, কল রিসিভ করলেন, সবকিছু খুব সহজ লাগে। কিন্তু ব্যবহার করতে  করতে একটা জিনিস বুঝেছি, অনেক সময় কানে থেকে পড়ে যেতে পারে, হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে, আর ব্যাটারি ব্যাকআপও তুলনামূলক কম হয়। অন্যদিকে নেকব্যান্ড একটু ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা দেয়। এটা গলায় ঝুলে থাকে। তাই হারিয়ে যাওয়ার ভয় অনেক কম। আপনি কানে না লাগালেও এটা গলায় থাকবে। তাই ব্যবহার করা অনেকটা নিশ্চিত লাগে। 

আমি যখন নেট ব্যান্ড ব্যবহার করি তখন একটা জিনিস খুব ভালো লাগে। এর ব্যাটারি ব্যাকআপ অনেক বেশি। অনেক সময় একবার চার্জ দিলে পুরো দিন বা তার থেকেও বেশি চলে যায়। যা ইয়ারবাউসের ক্ষেত্রে  সবসময় পাওয়া যায় না। এছাড়া কলিংয়ের সময় নেকব্যান্ড মাইক্রোফোনের একটু কাছাকাছি থাকে। তাই অনেক সময় voice clarify একটু ভালো পাওয়া যায়। তবে নেকব্যান্ডের downside হলো এটা একটু bulky লাগে। সব জায়গায় ক্যারি করা একটা অসুবিধা হয়। তাই দেখতে ইয়ারবাউসের মতো স্টাইল লাগেনা। সহজভাবে যদি বলি কোনটা ভালো এটা আসলে আপনার ব্যবহার আর পছন্দের উপর নির্ভর করে। আপনি যদি portability, stylish look আর ছোট আঁকার চান তাহলে ইয়ারবাউস আপনার জন্য পারফেক্ট। কিন্তু আপনি যদি বেশি কল করেন, দীর্ঘ সময় ব্যবহার করেন, আর ব্যাটারি ব্যাকআপ বেশি চান, তাহলে নেকব্যান্ড হলো সবচেয়ে ভালো চয়েজ। আমি সবসময় বলি দেখে না, নিজের প্রয়োজন বোঝে কিনা। কারণ কারো জন্য ইয়ারবাউস বেস্ট আবার কারো জন্য নেট ব্যান্ড দুটোই ভালো শুধু ব্যবহারটা আলাদা।

ইয়ারবাউস কেনার আগে যেসব বিষয় অবশ্যই জানবেন

ইয়ারবাউস কেনার আগে অনেকে একটা ভুল করে শুধু দাম আর সুন্দর দেখে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। আমি নিজেও আগে এমনটাই করতাম। বাইরে থেকে সুন্দর লাগছে, দামও কম এই দুইটা মিলে কিনে ফেলতাম। কিন্তু ব্যবহার করার পর বুঝেছি, আসল বিষয়টা। একদম আলাদা একটা ইয়ারবাউস ভালো কিনা সেটা দেখে বোঝার জন্য কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে আগে থেকে জানা খুব জরুরী। প্রথমে যেটা দেখবেন সেটা হলো মাইক্রোফোন আর কলিং কোয়ালিটি। কারণ আপনি যদি কল করার জন্য ব্যবহার করেন। তাহলে সাউন্ড ভালো হলেও মাইক খারাপ হলে কোন লাভ নেই। অনেক সময় ডেসক্রিপশনে অনেক কিছু লেখা থাকে বাস্তবে  সেরকম হয় না। তাই সবসময় চেষ্টা করবেন রিয়েল ইউজারদের রিভিউ দেখে কেনা। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলে ব্যাটারি ব্যাকআপ। কম দামের ইয়ারবাউস হলে অনেক সময় দেখা যায় ২-৩ ঘণ্টার বেশি চলে না। আবার কিছু মডেলে ৪/৫ ঘন্টা পর্যন্ত পাওয়া যায়। আপনি যদি নিয়মিত ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই এমন কিছু বেছে নিতে হবে, যেটা অন্তত কয়েক ঘন্টা টানা ব্যবহার করা যায়। এছাড়া চার্জিং কেসের ক্ষমতা ও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সেটার মাধ্যমে আপনি ইয়ারবাউসকে বারবার চার্জ দিতে পারবেন। আপনি নিজে সবসময় এমন মডেল খুঁজেন, যেটা একবার চার্জ দিলে পুরো দিন ম্যানেজ করা যায়। এর পাশাপাশি ব্লুটুথ ভার্সন খেয়াল করতে হবে। নতুন ভার্সন হলে কানেকশন স্টেবল থাকে। এবং কল বা মিউজিক এর সময় কোন সমস্যা হয় না।


আরেকটি জিনিস যেটা অনেকেই অবহেলা করে সেটা হলো কমফোর্ট আর ফিটিং। এয়ারবাউস কানে ঠিক মতো ফিট না হলে আপনি যতই ভালো সাউন্ড পান না কেন, ব্যবহার করতে বিরক্ত লাগবে। অনেক সময় কিছু মডেল কানে ব্যথা দেয় বা ঠিক ভাবে বসে না। ফলে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায় না। তাই ডিজাইন এবং  Eat tip কেমন এই বিষয়টাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। এছাড়া build quality ও গুরুত্বপূর্ণ। খুব সস্তা প্লাস্টিক হলে কিছুদিন পরেই সমস্যা শুরু হতে পারে। তাই একটু ভালো ব্র্যান্ড বা ট্রাস্টেড সেলার থেকে কিনলে একটু ঝুঁকি কমে যায়। সবশেষে একটা কথা বলতেই হয় ইয়ারবাউস কেনার সময় realistic expectation রাখা খুব জরুরী। ১৫০০ টাকার মধ্যে আপনি প্রিমিয়াম মানের সব ফিচার পাবেন না, এটা মাথায় রাখতে হবে। কিন্তু যদি আপনি বুঝে শুনে কেনেন নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্বাচন করেন তাহলে এই বাজেটেও খুব ভালো একটা ইয়ারবাউস পাওয়া সম্ভব। আমি সবসময় বলি কম দামে সেরা খোঁজার চেষ্টা করুন। পারফেক্ট না কারণ পারফেক্ট খুজতে গেলে হতাশ হবেন। কিন্তু স্মার্টভাবে নির্বাচন করলে আপনি এমন একটি ডিভাইস পাবেন যেটা আপনার প্রতিদিনের ব্যবহারকে সহজ করে দেবে এবং দীর্ঘদিন ভালো সার্ভিস দেবে।

শেষ কথাঃ ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়

এই আর্টিকেলে ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয় , ব্লুটুথ কলিং ইয়ারবাউস কি এবং কিভাবে কাজ করে, কলিং কোয়ালিটি ভালো হওয়ার কারণ কি, ENC ও Noise Cancellation কি, ১৫০০ টাকার নিচে সেরা ব্লুটুথ ইয়ারবাউস তালিকা, Oraimo, Baseus, QCY কোনটা ভালো ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি কম দামে ভালো ইয়ারবাউস চিনবেন কিভাবে, ইয়ারবাউস নাকি নেকব্যান্ড কোনটা ভালো, ইয়ারবাউস কেনার আগে যেসব বিষয় অবশ্যই জানবেন ইত্যাদি বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সুতরাং বলা যায় যে, আপনি যদি সম্পূর্ণ ব্লকটি মনোযোগ সহকারে পড়েন। তাহলে আপনি ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়  , সেগুলো বিস্তারিত বুঝতে পারবেন।

ব্লগটি যদি আপনার ভালো লাগে এবং উপকারে আসে, তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।  আপনার কোনো মতামত বা প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানান। আপনার  মূল্যবান মতামত আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি আমাদের আরও ভালো কনটেন্ট লিখতে অনুপ্রাণিত করে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রুমি টিপস আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Mst Rumi
Mst Rumi
রুমি টিপস আইটি একটি টেক ও ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ক ব্লগ। এখানে ব্লগিং, SEO, অনলাইন ইনকাম, ডিজিটাল মার্কেটিং ও টেকনোলজি সম্পর্কিত সহজ টিপস ও গাইড শেয়ার করা হয়। নতুনদের জন্য সহজ ভাষায় তথ্য উপস্থাপন করাই আমাদের উদ্দেশ্য।